জাতীয় পরিচয়পত্র - রেজিস্ট্রেশন, ডাউনলোড, সংশোধন, রিইস্যু ও বিস্তারিত

স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত সকল তথ্য, নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন, ভোটার নিবন্ধন, অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড, জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন, রিইস্যু সংক্রান্ত সকল তথ্য নিয়ে এখানে লেখা হয়েছে। আশা করি আপনার ‍উপকারে আসবে।

নতুন ভোটার আইডি কার্ড করার নিয়ম | নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র

যদি আপনার বয়স ১৬ হয়ে থাকে এবং একজন বাংলাদেশী নাগরীক হয়ে থাকেন, অনলাইনেই নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার জন্য ও ভোটার নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারেন।

যদিও আপনি ১৮ বছর হওয়ার আগেই জাতীয় পরিচয়পত্র পাবেন, যখন আপনার বয়স ১৮ পূর্ণ হলেই ভোটার তালিকায় আপনার নাম অর্ন্তভুক্ত হবে।

ভবিষ্যতে, হয়তো আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদ ও ভোটার নিবন্ধন কার্যক্রম চালু থাকবেনা। একজন নাগরিককে শুধুমাত্র অনলাইনেই ভোটার হওয়া এবং ভোটার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করতে হবে।

অনলাইনে ভোটার নিবন্ধনের সুবিধা

অনলাইনে ভোটার নিবন্ধনের আবেদনের ক্ষেত্রে কিছু সুবিধা রয়েছে, যেমন

  • নির্ভুল তথ্য - যেহেতু আপনার তথ্য আপনি নিজেই পূরণ করছেন
  • হয়রানি ও আনিুষ্ঠানিকতা কম
  • অনলাইন থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করার উপায়

আপনার স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র না পেলেও আপনি অনলাইন থেকে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের অনলাইন কপি সংগ্রহ করে লেমিনেট করে সেটি ব্যবহার করতে পারবেন।

যদি আপনি ২০১৯ সালের পরে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য নিবন্ধন করে থাকেন এবং স্মার্ট কার্ড হাতে না পেয়ে থাকেন, অনলাইন থেকেই স্লিপ বা এনআইডি নম্বর দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

এক্ষেত্রে আপনার যা প্রয়োজন,

  • ভোটার নিবন্ধন স্লিপ বা জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর
  • জন্ম তারিখ
  • ঠিকানা
  • একটি মোবাইল নম্বর
  • ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায় এমন একটি কম্পিউটার বা মোবাইল 
  • ও একটি এ্যান্ডয়েড মোবাইল

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার নিয়ম

নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পাওয়ার পর দেখলেন আপনার নাম বা কোন তথ্যে ভুল রয়েছে। কেমন লাগবে? অবশ্যই মন খারাপ হবে। মন খারাপের কোন কারণ নেই, কারণ অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের বিশেষ সুযোগ রয়েছে।

কিভাবে সংশোধন করবেন? আসুন জানি।

জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি পরিবর্তন ছাড়া অন্য যে কোন তথ্যের সংশোধন বা পরিবর্তনের জন্য আপনি অনলাইনেই আবেদন করতে পারবেন। এজন্য, শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রমাণ আপলোড করতে হবে। এছাড়া, আবেদনটি অফিসে জমা দেয়া বা অন্য কোন আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই।

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধনের ধরণ

অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্রের ৩ ধরণের সংশোধন করা যায়, যেমন

  • তথ্য সংশোধন
  • অন্যান্য তথ্য সংশোধন
  • বাসা ও পোস্ট অফিস পরিবর্তন
  • বর্তমান ঠিকানা বা ভোটার এলাকা পরিবর্তন

তথ্য সংশোধন

যে তথ্যসমূহ স্মার্ট কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের উপর প্রিন্ট করা থাকে, এমন তথ্য সংশোধনকে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন বলা হয়।

অন্যান্য তথ্য সংশোধন

যে তথ্যসমূহ স্মার্ট কার্ড বা জাতীয় পরিচয়পত্রের উপর প্রিন্ট করা থাকে না যেমন, শিক্ষাগত যোগ্যতা, ধর্ম, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি, এমন তথ্য সংশোধনকে জাতীয় পরিচয়পত্রের অন্যান্য তথ্য সংশোধন বলা হয়।

বাসা ও পোস্ট অফিস পরিবর্তন

অনলাইনে আবেদন করে, আপনার ঠিকানার বাসা বা হোল্ডিং নম্বর, পোস্ট অফিস ও পোস্ট কোড সংশোধন করতে পারবেন।

বর্তমান ঠিকানা বা ভোটার এলাকা পরিবর্তন

যদি আপনার বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তনের কারণে আপনার ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে চান, ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানা পরিবর্তন ফরম বা মাইগ্রেশন ফরম ১৩ পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

কিভাবে সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হয় ও বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন- জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করার নিয়ম

0 মন্তব্য

দয়া করে নীতিমালা মেনে মন্তব্য করুন. ??